বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাণিসম্পদ উনড়বয়নের লক্ষ্যে সরকারের প্রাণিসম্পদ নীতিমালার বাস্তবায়ন ও উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যাংকসমূহকে প্রাণিসম্পদ খাতের উনড়বয়নে বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে অন্যান্য গৃহপালিত প্রাণীর পাশাপাশি মহিষপালনে কৃষি ঋণ বিতরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। গরুর পাশাপাশি মহিষপালন একটি লাভজনক উপখাত। মহিষের দুধ প্রোটিনসমৃদ্ধ, যা পুষ্টি চাহিদাপূরণ এবং মহিষপালনের মাধ্যমে উৎপাদিত মাংস দেশে বিদ্যমান আমিষের চাহিদাপূরণে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি হালচাষ এবং গ্রামীণ পরিবহণেও মহিষের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। পরিবেশগত এবং প্রথাগত কারণে বাংলাদেশের চরাঞ্চলসহ সমগ্র দেশে সহজ উপায়ে মহিষপালনের ব্যাপক সম্ভাবনা বিরাজমান। সমগ্র দেশে মহিষপালনের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এ উপখাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ অপ্রতুল।
এপ্রেক্ষিতে, বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি অনুসারে চর ও হাওড় অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার কৃষক/খামারীদেরকে মহিষপালনে অধিকহারে কৃষি ঋণ বিতরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাদেরকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো। এক্ষেত্রে, ঋণের পরিমাণ ও মেয়াদ নিরূপণ এবং পরিশোধসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহ নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং প্রয়োজনবোধে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জেলা/উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সুপারিশ/পরামর্শ গ্রহণ করা যেতে পারে।
Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/acd/jan052016acdl01.pdf