শিরোনামোক্ত বিষয়ে ১২ এপ্রিল ২০২০ তারিখে জারিকৃত বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৮/২০২০ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
০২। সূত্রোস্থ সার্কুলারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানসমূহকে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসেবে ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়। উক্ত সার্কুলারে এ প্যাকেজের আওতায় বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগের উপর আরোপিত সুদ/মুনাফার অর্ধেক গ্রাহক পরিশোধ করবে এবং অবশিষ্ট অংশ সরকারের নিকট হতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ভর্তুকী হিসেবে প্রাপ্য হবে মর্মে উল্লেখ রয়েছে।
০৩। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কতিপয় ব্যাংক আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগের বিপরীতে নির্ধারিত সমুদয় সুদ/মুনাফা গ্রাহকের ঋণ/বিনিয়োগ হিসাবের বিপরীতে আরোপ করছে; যার ফলে গ্রাহক আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এক্ষণে ব্যাংক পর্যায়ে অভিন্ন হিসাবায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং অতিরিক্ত সুদ/মুনাফা আরোপের ফলে গ্রাহক যাতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিবেচনায় আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগের বিপরীতে শুধুমাত্র সুদ/মুনাফা আরোপের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নির্দেশনা অনুসরণীয় হবে ঃ
“ঋণ/বিনিয়োগের উপর আরোপযোগ্য নির্ধারিত সুদ/মুনাফার শুধুমাত্র গ্রাহক কর্তৃক প্রদেয় অংশ (সর্বোচ্চ ৪.৫০%) গ্রাহকের ঋণ/বিনিয়োগ হিসাবের বিপরীতে আরোপ করা যাবে এবং অবশিষ্ট অংশ পৃথক হিসাবে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে, ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা কর্তৃক প্রদেয় সুদ/মুনাফা আলোচ্য সার্কুলারে বর্ণিত নির্দেশনা অনুযায়ী যথাসময়ে পরিশোধিত না হলে ব্যাংক সমুদয় সুদ/মুনাফা গ্রাহকের ঋণ/বিনিয়োগ হিসাবের বিপরীতে আরোপ করতে পারবে এবং তা গ্রাহকের দায় হিসেবে বিবেচিত হবে।’’
০৪। এতদ্ব্যতীত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়, সুদ/মুনাফার অর্থ পুনর্ভরণসহ সার্বিক বিষয়ে উল্লিখিত সার্কুলারের নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ করতে হবে।
০৫। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।
এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/finincld/nov152017fid01.pdf